btd22 — একটা স্বপ্ন থেকে যেভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম হলো
২০২০ সালে যখন সারা বিশ্ব একটা অদ্ভুত সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একদল তরুণ উদ্যোক্তা ভাবছিলেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা নিরাপদ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা যায় কিনা। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছিল btd22।
শুরুতে পথ সহজ ছিল না। বাংলাদেশে তখন অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের উপর মানুষের আস্থা ছিল কম। অনেকেই টাকা জমা দিয়ে ঠকে গিয়েছিলেন বিভিন্ন অবিশ্বস্ত সাইটে। btd22-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাটাকেই তাদের সুযোগ হিসেবে দেখলেন — তারা ঠিক করলেন এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবেন যেখানে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস রাখতে পারবেন।
আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া, তাদের নিজের ভাষায়, তাদের নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে।
— btd22 প্রতিষ্ঠাতা দলপ্রথম বছরে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু যখন মানুষ দেখল যে btd22-এ জমা করা টাকা সত্যিই নিরাপদ, জেতা টাকা সত্যিই bKash-এ আসে — তখন মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে btd22 ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে গেল।
আজ btd22 শুধু একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের অংশ হয়ে উঠেছে। ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে স্পোর্টস বেটিং, রাতে একটু স্লট খেলা, বা প্রতি শুক্রবার লাকি ড্রতে অংশ নেওয়া — এই অভ্যাসগুলো btd22-কে ঘিরে তৈরি হয়েছে।
কী আমাদের আলাদা করে?
অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, কিন্তু btd22 একটু ভিন্ন। আমরা বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিই। পেমেন্ট পদ্ধতি থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্টের ভাষা পর্যন্ত — সব কিছুতেই বাংলাদেশের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়।
- bKash, Nagad, Rocket সহ সব মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল
- বাংলায় ২৪ ঘণ্টা কাস্টমার সাপোর্ট — ফোন, চ্যাট উভয় মাধ্যমে
- RNG-সার্টিফাইড গেম — কোনো কারসাজির সুযোগ নেই
- দুর্বল নেটওয়ার্কেও মসৃণভাবে চলার জন্য অপ্টিমাইজড মোবাইল প্ল্যাটফর্ম
- বাংলাদেশের উৎসব ও ক্রীড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বিশেষ প্রোমোশন
btd22-এ আমরা বিশ্বাস করি, বিনোদন হওয়া উচিত নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দময়। তাই প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের স্বার্থকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই।